কৃষকদের কথা চিন্তা করে সরকার (ডি এ পি) ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট সারের দাম কেজি প্রতি ২ টাকা কমাল যা আগামীকাল ০১/১১/২০১৪ ইং তারিখ হতে কার্যকর হবে।কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'ডিএপি সারের সর্বোচ্চ খুচরা দাম প্রতি কেজি ২৭ টাকা থেকে কমিয়ে ২৫ টাকা, ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজি ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৩ টাকা নির্ধারণ করা হলো।ডিএপি সারে ফসফেট ও নাইট্রোজেন- দুটি উপাদান থাকায় একই সাথে ইউরিয়া ও ফসফেটের সুফল পাওয়া যায়।
বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৪
ডি এ পি সারের দাম কেজি প্রতি ২টাকা কমানো হলো
কৃষকদের কথা চিন্তা করে সরকার (ডি এ পি) ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট সারের দাম কেজি প্রতি ২ টাকা কমাল যা আগামীকাল ০১/১১/২০১৪ ইং তারিখ হতে কার্যকর হবে।কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'ডিএপি সারের সর্বোচ্চ খুচরা দাম প্রতি কেজি ২৭ টাকা থেকে কমিয়ে ২৫ টাকা, ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজি ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৩ টাকা নির্ধারণ করা হলো।ডিএপি সারে ফসফেট ও নাইট্রোজেন- দুটি উপাদান থাকায় একই সাথে ইউরিয়া ও ফসফেটের সুফল পাওয়া যায়।
বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
ফসলের পোকা দমনে "সেক্স ফেরোমন ফাদ"
ফসলের পোকা
দমনে সেক্স ফেরোমন ফাদ
ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকর দমন করতে আমাদের
দেশের কৃষকরা আদিকাল থেকে কত কিছুই না ব্যাবহার করে আসছে, হাজারও প্রযুক্তি,
বিভিন্ন রকমের কিটনাশক ব্যাবহার করছে। আমারা কি জানি এই কীটনাশক ব্যাবহারের ফলে
পরিবেশের কতই না ক্ষতি হচ্ছে যেমন- মানুষ,
পশু পাখী, মাছ, ফসল ও ফসলের মাঠের ক্ষতি সাধন হচ্ছে। এক সময় ফসলের মাঠে, বাড়ির
আংগীনার লাউ শীম ও হরেক রকমের শাক সব্জির মাচায় কত পোকাখেকো পাখীর কিচির মিচির
কোলাহল শোনা যেত, এখন আর সে সকল পাখীর দেখা মেলা ভার। দেশে বিভিন্ন দেশী বিদেশী কীটনাশক
এসে এসকল পোকা খেকো পাখী গুলিকে ধংশ করে দিয়েছে। ফসলের ক্ষেতে কীটনাষক প্রয়োগের
ফলে কীটনাশক মিশ্রিত পোকা খেয়ে বিভিন্ন পোকা খেকো পাখী যেমন দোয়েল, টুনটুনি ফিংগে, শ্যামা ও হরেক রকমের শালিক এখন বিলুপ্ত প্রায়। এছাড়া এসকল কীটনাশক যুক্ত
মাক-সব্জি ও ফল-মূল খেয়ে আমরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছি, দিন দিন এই কীটনাশকের
প্রভাবে নতুন নতুন রোগের আবির্ভাব হচ্ছে। ফসলের ক্ষেত থেকে কীটনাশক মিশ্রিত পানি
বৃষ্টি বা বিভিন্ন মাধ্যেমে পুকুর খাল বিল নদী নালায় প্রবেশ করে মাছ ও মানুষের
ক্ষতি করছে, বিভিন্ন দেশীয় মাছ রোগে আক্রান্ত হয়ে মরে এখন বিলুপ্তির পথে। এছারা
ফসলের ক্ষেতে উপকারী ও অপকারী দুই রকমের পোকা থাকে, উপকারী পোকাগুলি ক্ষতিকর পোকার
ডিম ও কীড়া খেয়ে বেচে থাকে পাশাপাশী পরিবেমের ভারসাম্র রক্ষা করে। আর আমরা অধিক
হারে ফসলের ক্ষেতে কটিনাশক প্রয়োগ করে উপকারী পোকা গুলিকে ধংস করে ফেলেছি, যার ফলে
ক্ষতিকর পোকা বেড়ে গেছে। এক্ষেত্রে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে ফসলের ক্ষতিকর
পোকামাকড় দমন করতে সেক্স ফেরোমন ফাদই অত্যন্ত কার্যকর পদ্বতি। এটি অনেক বছর যাবত
আমাদের দেশে চালু হয়েছে তবে এর ব্যবহার এখনও সীমিত। অনেক অঞ্চলের কৃষকরা এই
ফাদটিকে জাদুর ফাদ বলে থাকে।
পোকা দমনে এটি কীভাবে কাজ করে
সেক্স
ফেরোমন হচ্ছে এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা কোন প্রজাতীর স্ত্রী পোকা কতৃক একই
প্রজাতির পুরুষ পোকাকে প্রজনন কার্যে আকৃষ্ট করার জন্য প্রাকৃতিকভাবে উৰপন্ন হয়।
সেক্স ফেরোমনের গন্ধে পুরুষ পোকা আকৃষ্ট হয়ে স্ত্রী পোকার সহিত মিলিত হয়। স্ত্রী পোকা
কতৃক নি:সৃত পদর্থের গন্ধটি কৃত্রিমভাবে তৈরী করে সেক্স ফেরোমন ফাদে ব্যাবহার করা
হয়। আর এই গন্ধে পুরুষ পোকারা এই ফাদে এসে ধরা দেয় ও ফাদে আটকা পরে মারা যায়।
সেক্স ফেরোমন ফাদ ব্যবহারের সুবিধা
১.
এটি মানুষ বা পরিবেশের কোনরুপ ক্ষতি করে না।
২.
সেক্স ফেরোমন ফাদ ব্যবহারে ফসলের উৰপাদন করচ কমে আসে।
৩.
ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় কার্যকরভাবে দমন করা যায়।
৪. বিষমুক্ত শাক সব্জি খাওয়া যায়।
৫.
ফলন বৃদ্বি পায়।* সেক্স ফেরোমন সমন্ধে আরও বিস্তারিত জানতে নিকটস্থ কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।
বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
কৃষি উপকরন সহায়তা কার্ড বিতরন ২০১৪
প্রিয় কৃষক ভাই ও বোনেরা আপনার এলাকার "কৃষি উপকরন সহায়তা কার্ড"বিতরন শুরু হয়ে গিয়াছে । আপনি আপনার কার্ড সংশ্লিস্ট উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে সংগ্রহ করুন ।
বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০১৪
উপজেলা ফলদ বৃক্ষমেলা ও কৃষি মেলা-২০১৪
আজ সোনাগাজীতে ৬ দিন ব্যাপি ফলদ বৃক্ষ ও কৃষি মেলার শুভ উদ্ভোধন করা হলো। উক্ত মেলার প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব জেড এম কামরুল আনাম "উপজেলা চেয়ারম্যান", বিশেষ অতিথি জনাবা জোবেদা নাহার মিলি "উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান", প্রধান আলোচক ছিলেন কৃষিবিদ কাজী জাহাংগীর কবির "উপজেলা কৃষি অফিসার" ও সভাপতি ছিলেন জনাবা লুৎফুর নাহার "উপজেলা নির্বাহী অফিসার | উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জনাব ইস্কান্দার হানিফ এর সঞ্চালনায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জনাব জাহাংগির আলম কোরান তেলওয়াত এর মাধ্যেমে অনুষ্ঠান আরম্ভ করেন| এরপর কৃষকদের মাঝ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব সিরাজউল্লা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মেজর সোলায়মান তার তথ্যভিত্তিক বক্তব্য রাখেন এরপর এস এ এ ও দের মাঝ থেকে জনাব মো: কামারুজ্জামান বক্তব্য রাখেন | এরপর উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব কাজী জাহাঙ্গীর কবির তার তথ্য ভিত্তিক বক্তব্য রাখেন ও মাল্টি মিডিয়া প্রজেক্টেরের মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন | এরপর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জনাব জেড এম কামরুল আনাম উপজেলা চেয়ারম্যান তার তথ্য পূর্ন বক্তব্য রাখেন ও সাবের পাইলট স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে গাছের চারা বিতরনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করেন |
উক্ত মেলায় নার্সারী মালিকরা তাদের নিজ নিজ স্টলে অসংখ্য দেশী বিদেশী গাছের চারা উঠান ও কৃষি বিভাগের স্টলে অসংক্ষ দেশী বিদেশী ফল প্রদর্শন করা হয়| এই মেলায় ডি এ ই এর স্টলের প্রধান আকর্ষণ ছিল গাছ সহ একটি ড্রাগন ফল, ২০ কেজি ওজনের একটি ও ২৫ কেজি ওজনের একটি মিস্টি কুমাড়া যা সোনাগাজী উপজেলার কৃষকরাই উৎপাদন করেছে |
শুক্রবার, ১৬ মে, ২০১৪
পানি ব্যবস্থাপনা প্রদর্শনী এ ডব্লিউ ডি(AWD) প্রকল্পের মাঠ দিবস
গত ১৫/০৫/২০১৪ ইং তারিখে ডাক বাংলার পশ্চিম পাশের ধানের জমিতে খামার পর্যায়ে উন্নত পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি (AWD) প্রকল্পের মাঠ দিবস সম্পন্ন হল। উক্ত মাঠ দিবসে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জনাব মুসলেউদ্দিন,উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জনাব আক্রাম উদ্দিন ও সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জনাব বি এম সাইফুল আহমেদ সুজু ও এলাকার কৃষক ভাইয়েরা| মির্জাপুর ব্লকের ফাইভষ্টার মোর হতে ডাকবাংলার পশ্চম মাঠ পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত ছিল| সহকারী কৃষি সম্প্রসারন অফিসার কৃকদের সাথে নিয়ে AWD প্রযুক্তির সুবিধা অসুবিধা আলোচনা করেন। এ প্রযুক্তি ব্যবহারে বোরো ধান চাষে প্রচলিত প্লাবন সেচের তুলনায় ৩০-৫০% কম পানি লাগে এবং সেচ খরচ আনুপাতিক হারে কমে আসে | ভূগর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমে এবং পরিবেশ দুষন, যেমন আর্সেনিক দূষন ও মরু প্রবনতা কমে আসবে |
বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০১৪
"ডিজিটাল মেলা ২০১৪” সোনাগাজী
আজ থেকে সোনাগাজী উপজেলায় দুইদিন ব্যাপী ডিজিটাল মেলার শুভ উদ্ভোধন হলো | এই মেলায় অংশগ্রহণ করেছেন সোনাগাজী পৌরসভা তথ্য ও সেবা কেন্দ্র, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, আর এম হাট কে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, ন্যাসলাল ব্যাংক, সোনাগাজী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, ছাবের পাইলট মডেল হাই স্কুল(ডিজিটাল ক্লাস রুম), কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর ও মেসকাত কম্পিউটার |
সোনাগাজী কৃষি অফিসের স্টলে প্রজেক্টেরের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সমন্ধে মেলায় আগত কৃষকদের ধারনা দেয়া হচ্ছে |
সোমবার, ৫ মে, ২০১৪
রবিবার, ৪ মে, ২০১৪
খরিপ ১/২০১৪ইং সনের মির্জাপুর ব্লকে আউশ প্রনোদনা বিতরন
এ বছর মির্জাপুর ব্লকে ৪০ জন চাষী উফশী আউশ ও বোনা আউশ(নেরিকা) ধান চাষে প্রনোদনার আওতায় বিনামূল্যে বীজ, সার ও অর্থ সহায়তা পায় । এর মধ্যে ৩৫ জন চাষী উফশী আউশ ও ৫ জন চাষী বোনা আউশ (নেরিকা) ধান বীজ ও অন্যান্য সহায়তা পায় । এখানে ৩৫ জন চাষীকে যথাক্রমে ৫ কেজি ধান বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া সার, ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি সার ও ৩০০ টাকা এবং ৫ জন চাষী কে ১০ কেজি নেরিকা ধান ২০ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি সার ও ৬০০ টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয় হয়।
শুক্রবার, ২ মে, ২০১৪
পূ্র্বাঞ্চীয় সমন্বীত প্রকল্পের আওতায় বোরো সুপার হাইব্রিড প্রদর্শীর মাঠ দিবস ২০১৪
গত ৩০ এপ্রিল মিরজাপুর ব্লকে পূর্বাঞ্চলীয় সমন্বিত প্রকল্পের আওতায প্রযুক্তি প্রদর্শনীর (বোরো সুপার হাইব্রিড ধান) মাঠ দিবস ও ক্রপ কাটিং অনুষ্ঠান হয়ে গেল | উক্ত অনুষ্ঠান উদ্ভোধন করেন সোনাগাজী উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা জনাব মুসলেউদ্দিন ও
সাথে উপস্থিত ছিলেন সংস্লিষ্ট ব্লকের এস এ এ ও জনাব বি এম সাইফুল আহম্মদ সুজু ও পাশ্ববর্তী ব্লকের এস এ এ ও জনাব আজিজউল্লা। এছাড়া সংস্লিষ্ট প্রদর্শনীর চাষী জনাব হোসেন আহম্মদ ও এলাকার সকল চাষী ভাইয়েরা | উক্ত ধান ক্ষেতে ২০ বর্গমিটারে ধানের ফলন পাওযা যায় ২০.৫০ কেজি(কাচা অবস্থায়), ১৪% আদ্রতায় ধানের ফলন দারায় ৯.৫৩কেজি ও হেক্টরে ৯.৫৩টন| উক্ত ফলন পেয়ে চাষী খুবই খুশি ও আগামীতে এই ধান ব্যাপকভাবে চাষ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন ও এলাকার চাষী ভাইয়েরাও এই ধান আগামীতে চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আউশ প্রনোদোনা বিতরন ২০১৪
গত ১২-০৪-২০১৪ ইং তারিখে সোনাগাজী উপজেলায় আউশ প্রোনোদনার আওতায় ১৩০০ জন চাষীর মাঝে উফশী আউশ ও নেরিকা ধান বীজ ও সার বিতরনের অনুষ্ঠান উদ্ভোধন করা হয়। উক্ত উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ রহিম উল্লাহ, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব জেড এম কামরুল আনাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাবা জোবেদা নাহার মিলি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাবা লুৎফুন নাহার| এছারা আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব আশিস কুমার কর, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জনাব সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার , সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও সকল উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্টানের মঞ্চে উপবিস্ট সকল অতিথীরা তাদের নিজ নিজ বক্তব্য রাখেন এবং ভাষন শেষে মাননীয় সংসদ সদস্য কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরন করেন।
বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০১৪
মির্জাপুর ব্লকে AWD এর ব্যবহার
চলতি বোরো মৌসুমে মির্জাপুর ব্লকেAWD প্রকল্পের আওতায় প্রায় দশ হেক্টর জমিতে AWD প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ১৫ জন চাষী/পাম্প মালিককে একটি করে AWD পাইপ ও একটি স্টিল এর স্কেল সরবরাহ করা হয়। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ৩০-৪৫% পানি সাশ্রয় হবে ও বিদ্যুৎ খরচ কমে আসবে। এই প্রযুক্তি টি চাষীরা খুব সহজেই গ্রহন করেছে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)



